সূরা 4 · পারা 5

An-Nisa · 4:33

وَلِكُلٍّ جَعَلْنَا مَوَالِيَ مِمَّا تَرَكَ الْوَالِدَانِ وَالْأَقْرَبُونَ ۚ وَالَّذِينَ عَقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ فَآتُوهُمْ نَصِيبَهُمْ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدًا

পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তির প্রত্যেকটির জন্য আমরা উত্তরাধিকারী করেছি [১] এবং যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ তাদেরকে তাদের অংশ দেবে [২]। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বকিছুর সম্যক দ্রষ্টা।
____________________
[১] ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহ আনহুমা বলেনঃ মুহাজেররা যখন মদীনায় হিজরত করে আসত, তখন আনসারদের নিকটাত্মীয়দের বাদ দিয়ে যাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভ্রাতৃত্ব বন্ধন সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন মুহাজেররা তাদের ওয়ারিস হত। তারপর যখন আলোচ্য আয়াত নাযিল হয়, তখন তা রহিত হয়ে যায়। [বুখারীঃ ২২৯২, ৪৫৮০,৬৭৪৭]
[২] ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, যখন ‘আর যাদের সাথে তোমরা অংগীকারাবদ্ধ তাদেরকে তাদের অংশ দেবে’ এ আয়াত নাযিল হয়, তখন কেউ কেউ অপর কারও সাথে বংশীয় কোন সম্পর্ক না থাকা সত্বেও চুক্তিবদ্ধ হতো, এর ফলে একে অপরের ওয়ারিশ হতো। তারপর যখন আল্লাহর বাণী ‘আর আত্মীয়রা আল্লাহর বিধানে একে অন্যের চেয়ে বেশী হকদার’। [সূরা আল-আনফাল:৭৫; আল-আহযাব:৬] এ আয়াত নাযিল হয়, তখন তাও রহিত হয়ে যায়। [মুস্তাদরাকে হাকিম ৪/৩৪৬; তাবারী]

তাফসির

৩৩. তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই আমি আসাবাহ বা ওয়ারিশ বানিয়েছি। যারা তাদের পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়রা যে মিরাস রেখে গেছে তার ওয়ারিশ হবে। আর যাদের সাথে তোমরা শক্ত অঙ্গীকার করেছো জোটবদ্ধ থাকা ও সহযোগিতার উপর তাদেরকে তাদের মিরাসের অংশটুকু দিয়ে দিবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সকল বিষয়ে সাক্ষী। তোমাদের কসম ও অঙ্গীকারের উপর সাক্ষী থাকা তারই অন্যতম। কারো সাথে জোটবদ্ধ থাকার ভিত্তিতে মিরাস এটি ইসলামের শুরু যুগে ছিলো যা পরবর্তীতে রহিত হয়ে গেছে।

পাঠকে খুলুন - সম্পূর্ণ সূরা পড়ুন

আপনার ভাষায় তাফসির

আরবি তাফসির

অনুবাদ

শুনুন